• হেগেল শুধু হেগেল না, কান্ট শুধু কান্ট না, রুমি শুধু রুমি না, মার্কস শুধু মার্কস না, লাকাঁ শুধু লাকাঁ না, ইকবাল শুধু ইকবাল না, রবীন্দ্রনাথ শুধু রবীন্দ্রনাথ না, নজরুল শুধু নজরুল না; এভাবে শত শত নাম নেয়া যাবে, যারা অসাধারণ কিন্তু তাঁদের ভাব-চিন্তাতে অনেকের চিন্তা নানান রকম নব নব ধারা রূপে প্রবাহিত।
• হেগেল বললেন, ‘সত্যিই, আমরা যা চাই তা ওইখানে আছে’। কেন?
• হেগেলের সকল লেখা-কর্ম তাঁর খোঁজাখুজির নানা পর্যায় মনযোগ দিয়ে দেখতে হবে। প্রথম দিকের চিন্তাসমূহের ভিত্তিতে কেবল তাঁর সামগ্রিক চিন্তা নয়। তাঁরও চিন্তার উপসংহারও রয়েছে যদিও সে-উপসংহার অসমাপ্ত।
ক.
উপস্থিত আর অনুপস্থিত হওয়ার জন্যে ‘কিছু’ হওয়া লাগে। যে-‘কিছু’ বস্তু বা ব্যক্তি একটা কিছু আকারে আবির্ভূত হ’তেই হয়। যদি ‘কিছু’ হওয়ার বাইরের হয়, তাইলে কেমনে উপস্থিত অথবা অনুপস্থিত! শরীরের চোখে দেখা যায় না এমন কিছু- যেমন বাতাস, কিঞ্চিত কাব্যিক ব্যঞ্জনার দৌলতে কোনো স্থানে নির্দিষ্ট পরিমান বাতাস উপস্থিত বা অনুপস্থিত অথবা নিদেনপক্ষে বিরাজমান আছে বা নাই বলা যায়। বাতাসের জন্যেও নির্দিষ্ট দেশ/স্পেস নির্ধারিত, মানে সীমিত। বাতাসের জন্যে রয়েছে অদৃশ্য দেয়াল। এই সীমা বাতাসও মানতে বাধ্য। ইচ্ছে করলেই বাতাস ছড়িয়ে পড়তে পারে না আউটার স্পেসে। আবার ‘কিছু’ মানেই সীমা চিহ্নিত হ’য়ে আসা কিছু। ইংরেজি জবানে thing, আরবিতে শাই (شيء) আর বাংলায় ‘কিছু’ এর উপস্থিত বা অনুপস্থিত হওয়ার প্রসঙ্গ আসা মানেই সসীম কিছু। গড বা আল্লাহকে ‘সত্তা’ ধরলে, সর্বশক্তিমান বিবেচনা করলেও, ‘সত্তা’ বিবেচনা করলে সীমিত করা হয়। এই তর্ক তুলেছিলেন গেয়র্গ ভিলহেল্ম ফ্রিদ্রিখ হেগেল, জার্মান দার্শনিক পন্ডিত লেখক। হেগেলের ‘ফিলোসফি অব রিয়েলিটি’ এর তলানিতে, তাঁর গড যদিও ‘অমনিপ্রেজেন্ট’ কিন্তু ‘কিছু’ আকারে সর্বত্র বিরাজমান না। তার মানে কি এই যে, মুসলমানদের বিশ্বাস মোতাবেক আসমান জমিন তথা মহাবিশ্বমন্ডলের সবকিছু আল্লাহর জ্ঞানের আওতাধীন অর্থ মোতাবেক ‘অমনিপ্রেজেন্ট’? তা-ই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এই কারণে যে, দার্শনিক হেগেল দরবেশ জালালউদ্দিন রুমির পংক্তিসমূহ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন- এমন তথ্য যথেষ্ট পরিমানে সামনে আসবে। আরো একটি কারণ ফিলোসফিক্যাল থিওলজির খোঁজ নেয়ার প্রথম দিকেই গড কোনো কিছু আকারে থাকার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
খ.
অধ্যাপক রবার্ট এম ওয়ালেস’র বই ‘হেগেলস ফিলোসফি অব রিয়েলিটি, ফ্রিডম এ্যান্ড গড’। কলগেট বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক দেখিয়েছেন, হেগেলের কথা বলার ধরণ একটু জটিল হওয়াতে নানা প্রকার বিভ্রান্তিকর মশকারিও করেছেন কিছু পন্ডিত লেখকগণ হেগেলকে নিয়ে। কিয়েকগার্ডও মশকারি মেরেছেন হেগেলের ‘নিরস’ ‘অভেদ্য’ যৌক্তিক ‘সিস্টেম’ এর বিরুদ্ধে। কার্ল মার্কস খোলামেলা জানিয়েছিলেন, তাঁর চিন্তা পদ্ধতিতে হেগেলের প্রভাব খুব গুরুত্বপূর্ণ। মার্কস ‘নাস্তিক’ হওয়াতে, নাস্তিকের ওস্তাদ নাস্তিক- এই সরল বিবেচনার কারণে হেগেল অনেকের চিন্তা সংশ্লিষ্ট হতে পারেন নি। অথচ হেগেলের ফিলোসফিক্যাল থিওলজি চর্চার ভেতর থেকে বের হওয়া ‘self-determining fullest real’ অথবা ‘এ্যাবসলিউট রিয়েল’ অথবা ‘ইনফিনিট গড’ কিংবা ”হেগেল’স গড এগজিবিট দি কমবিনেশন অব জাস্টিস এ্যান্ড লাভ”- এইসব গড ধারণার সাথে মুসলমানদের আল্লাহ সম্পর্কিত বিশ্বাসের বিরোধ নাই। মুসলমানের আল্লাহ জগতসমূহের প্রতিপালক (রাব্বুল আলামীন) এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ অনন্ত অসীম প্রেমময়। তিনি অদ্বিতীয়, তাঁর সমকক্ষ কেউ নাই, কিছু না, (‘ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুআন আহাদ’- সুরা এখলাস। ‘লাইসা কা মিছলিহি শাইউন’- সুরা আশ শুরা)। হেগেলের প্রস্তাবিত ‘রিয়েল’ মাপজোখ করে বুঝাবুঝি করতে সমর্থ কোনো বস্তু বাস্তব নয়। তিনি চিন্তার নানা পর্যায় পার করেছেন প্রশ্নোত্তর চর্চা করতে করতে। তাঁর বই ‘ফেনোমেনোলজি অব স্পিরিট’- জর্মন ভাষায় Phänomenologie des Geistes এর চিন্তা সমূহ ধীরে ধীরে নানা পর্যায় পার হয়ে ‘ফিলোসফি অব রাইট’-এ এসে অন্য মোড় নেয়। প্রথম দিকে ধর্ম সম্পর্কিত হেগেলের বিবেচনা খৃষ্ট ধর্মের পক্ষে দেখা গেলেও পরবর্তীতে তা একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর (আব্রাহামীয়) সারাংশ আকারে প্রকাশ পায়। যদিও তিনি যাত্রা শুরুর দিকে গতানুগতিক গড ধারণার সমালোচনা করেছিলেন। পরে হেগেল বলেন- ‘Knowing God is our highest duty’ (হেগেল এ্যান্ড হেরমেটিক ট্রেডিশন) LPR1:164;VPR 1:74 । এবং দ্রষ্টব্য ‘লেকচারস অন ফিলোসফি অব রিলিজিওন’।
গ.
হেগেলের মিস্টিক সখ্যতা দেখবার জন্যে নজর দেয়া যাক আরেকটু। Franz von Baade এর সাথে হেগেল প্রায়শ মিস্টিক Meister Eckhart এর চিন্তা নিয়ে আলোচনা করতেন। ফ্রানজ জানান- একদিন হেগেল Eckhart এর উপর দীর্ঘ বক্তব্য শেষে বললেন- ‘সত্যিই, আমরা যা চাই তা ওইখানে আছে’। কথাটা জর্মন ভাষায়- Da haben wir es ja, was wir wollen’. (হেগেল এ্যান্ড হেরমেটিক ট্রেডিশন) হেগেলের গড চিন্তা এক পর্যায়ে এরিস্টটলের গড চিন্তার সাথে গিয়ে মিলে, মানে, গড যিনি, তিনি পারফেক্ট, এ্যাটারনালি কমপ্লিট।
শরীরের চোখে দেখা যায় না এমন কিছু- যেমন বাতাস, কিঞ্চিত কাব্যিক ব্যঞ্জনার দৌলতে কোনো স্থানে নির্দিষ্ট পরিমান বাতাস উপস্থিত বা অনুপস্থিত অথবা নিদেনপক্ষে বিরাজমান আছে বা নাই বলা যায়। বাতাসের জন্যেও নির্দিষ্ট দেশ/স্পেস নির্ধারিত, মানে সীমিত। বাতাসের জন্যে রয়েছে অদৃশ্য দেয়াল। এই সীমা বাতাসও মানতে বাধ্য। ইচ্ছে করলেই বাতাস ছড়িয়ে পড়তে পারে না আউটার স্পেসে
দরবেশ কবি জালালউদ্দিন রুমী’র ‘মাসনাওয়ী’ এবং ‘দিওয়ান-ই শামস-ই তাবরেজি’ পড়ার পর দার্শনিক গেয়র্গ ভিলহেল্ম ফ্রিদ্রিখ হেগেল নতুনভাবে উজ্জীবিত হলেন। রুমি’র নাম রাখেন ‘এ্যাক্সেলেন্টে রুমি’ বা ‘এ্যামবডিমেন্ট অব এ্যাক্সেলেন্স’। হেগেল জর্মন ভাষায় রুমি পড়েছিলেন। যার অনুবাদ পড়েছিলেন তিনি Friedrich Ruckert (1788-1866)। এই অনুবাদকের মাধ্যমে জর্মন ভাষায় রুমি পাঠের মধ্য দিয়ে পশ্চিমে বেশ ছড়িয়ে পড়েছিলেন রুমি। এবং এই অনুবাদক নামজাদা জার্মান ওরিয়েন্টেলিস্ট Joseph Von Hammer-Purgstall (1774-1856) এর শিষ্য ছিলেন। একেবারে প্রথম দিকে পশ্চিমে মাওলানা রুমিকে পরিচয় করিয়েছিলেন যে-কয়জন, তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য Purgstall. আরো দু’জনের নাম উল্লেখযোগ্য- Coleman Barks এবং ড. Annemarie Schimmel (১৯২২-২০০৩)। পরে বেশ ক’জন আমেরিকান আন্তরিকার সাথে রুমি অনুবাদ করেন। আর Purgstall ফার্সি, তুর্ক, আরবী সাহিত্যের প্রচুর উল্লেখযোগ্য অনুবাদ করেছিলেন। এ্যানমেরি শিমেল তাঁকে উপাধি দিয়েছিলেন ‘ইনডিফেটিগেবল ট্রান্সলেটর’ বা ‘অতন্দ্রিত অনুবাদক’। গুরুত্বপূর্ণ একটি উল্লেখ করার বিষয় এই যে, Purgstall রুমি অনুবাদের প্রভাবেই বিখ্যাত ‘ফাউস্ট’ এর লেখক কবি গ্যাটে (Johann Wolfgang von Goethe) তাঁর আপন ভাষায় রচনা করেন পারস্যের কবি হাফিজের প্রেরণাসমৃদ্ধ ‘West-östlicher Diwan’- ইংরেজিতে ‘West-Eastern Divan’।
এখানে প্রসঙ্গের শাখা বিবেচনায় এনে উল্লেখ করা প্রাসঙ্গিক যে, ১৮২১ সালে F.A.D Tholuck অপপ্রয়াস নেন জালালাউদ্দিন রুমিকে প্যানথীইস্টের সমগোত্রীয় আকারে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা (১৯৬৭ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত) Annemarie Schimmel কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেন Tholuck এর প্রয়াস। এ্যানমেরি শিমেল জার্মানির প্রথম সারির ওরিয়েন্টেলিস্ট লেখক অনুবাদক। পাকিস্তানের কবি আল্লামা ইকবালের ‘খুদি’র উপর এ্যানমেরি শিমেলের সারগর্ভ বক্তব্য ইউটিউবেই রয়েছে। Tholuck এর সেই প্রয়াসের সময়ে নামে গুণে শীর্ষে থাকা দার্শনিক হেগেল রুমির কথা খুব আগ্রহভরে ভাষণে এবং লেখায় উল্লেখ করতে থাকেন, তাঁর বইয়ে যুক্ত করেন রুমির কবিতা। ফলে Tholuck এর প্রয়াস ধ্বসে যায়। হেগেলের ভাষায় ‘সো-কলড প্যানথীইজম’র বাইরে রুমি। তাঁর পংক্তিদের ‘ফাইনেস্ট পিউরিটি’র কথা উল্লেখ করেন হেগেল। বলেন- ‘মোহাম্মদি ধর্ম থেকে এক্সেলেন্ট জালালাউদ্দিন রুমিকে উল্লেখ করতেই হয়’। Ruckert এর প্রাঞ্জল অনুবাদের প্রশংসা ক’রে হেগেল তাঁর ‘এ্যানসাইক্লোপেডিয়া’-তে রুমি’র একুশটি পংক্তির উদ্ধৃতি দেন। এবং পরে লিখেন, ইংরেজি অনুবাদে তা নিম্নরূপ-
”In this poetry, which soars over all that is external and sensuous, who would recognize the prosaic ideas current about so-called pantheism—ideas which let the divine sink to the external and the sensuous?”
এই পাঠ আলোচনায় তালহা জালাল যোগ করেন- ‘Hegel rightly recognized the cosmology of Rumi being higher than the mundane ideas that were floating about pantheism at that time.’
ফ্রিদ্রিখ হেগেল (1770 – 1831) তাঁর তত্বগুলোতে কনসেপ্ট অব ডায়ালেক্টিকস-এর পদ্ধতিগত ব্যবহারের অনেক আগেই জালালউদ্দিন রুমি’র (1207-1273) কবিতার সাথে পরিচিত হন। আর রুমি’র সকল ভাষাকর্মের মূল মেসেজ- খোদায়ী ভালোবাসা বা ডিভাইন লাভ। এবং রুমি’র প্রেম চর্চার অরিজিন কোরআন আর সুন্নাহ (নবী মোহাম্মদ সঃ এর জীবনাদর্শ)। হেগেলের প্রায় সাড়ে পাঁচ শত বছর আগে রুমি দুনিয়াতে এসেছিলেন। রুমি’র সময়টাতে মোঙ্গলদের অত্যাচারে এই বিশাল ভুখন্ড সন্ত্রস্থ এবং তখনকার বিশ্ববাসী অস্ত্র আর অজ্ঞতার দাপটে অতীষ্ঠ। রুমী তখন তাঁর অসাধারণ পংক্তিদের দ্বারা ভালোবাসাবোধ উন্মোচন করতে থাকছিলেন একের পর এক। কবি এ্যামারসনসহ বিখ্যাত লেখকদের লেখাতে রুমি এসেছেন। পশ্চিমে রুমি ‘গ্রেইটেস্ট মিস্টিক পয়েট’। কারণ তাঁর কবিতার অসাধারণ idiosyncratic impact বিস্ময়কর।
আরেকটু বলা যায়, এই আলোচনাতে হেগেলের ‘সায়েন্স অব লজিক’ কাজটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে প্রসঙ্গত কবি খলিল জিবরানের বুঝাবুঝি আনা যায়। জিবরান দেখেছেন- ‘মানুষ ভিক্ষুক সব’। ধনীও ভিক্ষুক গরীবও ভিক্ষুক। রাজাও ভিক্ষুক প্রজাও ভিক্ষুক, প্রেসিডেন্টও ভিক্ষুক, জনগণও ভিক্ষুক, মাল্টি বিলিওনিয়ারও ভিক্ষুক পেনিলেস-কপর্দকশূন্য মানুষটিও ভিক্ষুক, বিজ্ঞানীও ভিক্ষুক অবিজ্ঞানীও ভিক্ষুক। মানুষ নামের প্রাণীগুলোর জীবন জুড়ে আছে কেবল এটা চাই ওটা চাই- অভাব আর অভাব। অভাবী কোনো সত্তা সেলফ-ডিটারমাইনিং হওয়া সম্ভব না। এই ব্যাপারটা প্লেটোর চাইতেও অধিক শক্তভাবে বয়ান করেছেন হেগেল ‘সায়েন্স অব লজিক’-এ। হেগেলের যুক্তি ট্রেডিশনাল ধর্মপ্রাণ মানুষের ভাবনার/প্রত্যয়ের/বিশ্বাসের পাশে এসে খোশদিলে দাঁড়িয়ে যায়। তাঁর মতে, যিনি গড তিনি সেলফ-ডিটাইমাইনিং এবং তিনিই ভালোবাসতে পারেন যথাযথভাবে।
হেগেল বললেন, ‘সত্যিই, আমরা যা চাই তা ওইখানে আছে’।
ঘ.
এ পর্যন্ত পঠনে দেখা যায়, দার্শনিক হেগেলের খোদা স্বয়ংস্বম্পূর্ণ, কারো মুখাপেক্ষি নন, অতুলনীয়, অনির্বচনীয়, অসাধারণ সুবিচারক এবং ভালোবাসার লালনকর্তা। (the combination of justice and nurturing love)। এবং এভাবেই মহাবিশ্বমন্ডলের সৃষ্টিকূলের সাথে তাঁর সংশ্লিষ্টতা (universal inclusiveness)। আর দরবেশ জালালউদ্দিন রুমি’র খোদা অনন্ত অদ্বিতীয় প্রেমময়, যার প্রেমে ফানা ফানা হ’লে নিজকে চেনা যায়; ‘নাফসুল মোতমাইন্না’ বা ‘প্রশান্ত আত্মা’র অধিকারী হওয়া যায়।
আর আমরা দেখি, বিশ শতকের হাতে গোনা কয়েকজন চিন্তাবিদের সাথের একজন জ্যাক লাকাঁ (১৯০১-১৯৮১), যিনি মানবজাতির চিন্তাতে ব্যাপক প্রভাব রেখেছেন, তিনি জগতবাসীকে জানান- ‘রিয়েল’ এর জগতে কোনো আকার নাই। ফলে ওখানে কোনো কিছু ‘অনুপস্থিত’ বা এ্যাবসেন্স নাই। ‘রিয়েল’ ভাষার বাইরে। ‘রিয়েল’ মানে অসম্ভব এই অর্থে যে, ‘রিয়েল’ কল্পনা করা অসম্ভব। ‘রিয়েল’ কোনোভাবেই ফেদমেবল নয়। জ্যাক লাকাঁর ‘রিয়েল’ ‘ইনফিনিট’ এবং ‘এ্যাবসলিউট’।
সহায়ক সূত্রঃ
1. The Encyclopedia Logic: Part 1 of the Encyclopedia of Philosophical Sciences by Hegel, trans. T. F. Geraets, W. A. Suchting, and H. S. Harris.
2. www.dar-al-masnavi.org
3. Hegel versus Heidegger by Slavoj Žižek.
4. Hegel and the Hermetic Tradition by Glenn Alexander Magee 2001. Cornell University Press.
5. Hegel’s Philosophy of Reality, Freedom, and God” by Robert M. Wallace.
6. Mysticism, Sufism and Practical Spirituality: Ibn Arabi’s Perspective by Maroof Shah.
7. Stanford Encyclopedia of Philosophy online.
8. ওয়াল্ডবুক, স্কট ফেত্জার, কালচারাল ফাউন্ডেশন আবুধাবী গ্রন্থাগার।
9. Hegel on Islam, Arabs and Turks by Ian Almond.
10. Hegel and Islam by Muhammed Khair.
11. The Whisper that Echoed across the Seven Seas: Rumi in the Western Intellectual Milieu by Talha Jalal.